Gas Transmission Company Limited
Post: Sub Assistant Engineer(CSE)
Exam Date: 26/11/2021, Exam Taker: BUET
ফায়ারওয়াল হল একটি নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা পূর্বনির্ধারিত সিকিউরিটি রুলসের উপর ভিত্তি করে, নেটওয়ার্কে আসা ইনকামিং এবং আউটগোয়িং ট্র্যাফিক পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে । এর মুল উদ্দেশ্য হলো ,ইন্টারনাল নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেট থেকে আসা ট্রাফিকের মধ্যে একটি বাধা স্থাপন করা, অননুমোদিত ট্র্যাফিক ডিটেক্ট এবং প্রোটেক্ট করা।
IoT এর পূর্ণরূপ হলো Internet of things. আইওটি হলো এমন একটা নেটওয়ার্ক যেখানে ভৌত জিনিসপত্র, যেমনঃ বাসাবাড়ির আসবাপত্র, চলাচলের জন্য যানবাহন, কৃষি কাজের জন্য যন্ত্রপাতি ইত্যাদি একটি সিস্টেমের মধ্যে কানেক্টেড থাকে।এটি এক ধরণের ইন্টারনেট কানেকটেড নেটওয়ার্ক। এই নেটওয়ার্ক কিন্তু কোনো ব্যক্তির সাথে ডিভাইস বা ডিভাইসের সাথে ব্যক্তির নয়। এই নেটওয়ার্ক হলো ডিভাইস টু ডিভাইস। এর মাধ্যমে স্মার্ট ইলেকট্রনিক ডিভাইসসমূহ ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে-অপরের সাথে সংযুক্ত থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বা তথ্যের আদান-প্রদান এবং তথ্য বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
IPV6 হচ্ছে ইন্টারনেট প্রোটোকল। IPV6 মানে Internet Protocol Version 6 ( ইন্টারনেট প্রোটোকল সংস্করণ ৬ ) । যা (IP) এর সর্বশেষ সংস্করণ, এটি ইন্টারনেটে সংযুক্ত ডিভাইসগুলোকে সনাক্ত ও সে সবের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করে এবং ইন্টারনেট জুড়ে ট্র্যাফিক রাউটিং করে।
মূলত, বিদ্যমান IPV4 এর অ্যাড্রেস সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের সমস্যা মোকাবিলার জন্য Internet Engineering Task Force (IETF) IPV6 ডিজাইন ও উদ্ভাবন করে। অর্থাৎ, IPV4 প্রতিস্থাপনের উদ্দেশ্যেই IPV6 উদ্ভাবন করা হয়।
IPV4 হলো ৩২ বিটের প্রথম প্রজন্মের ইন্টারনেট প্রটোকল, যার মাধ্যমে মাত্র ৪৩০ কোটি অ্যাড্রেস ব্যবহার করা সম্ভব। IPV6 হলো ১২৮ বিটের অ্যাড্রেস লেয়ার প্রটোকল, যার মাধ্যমে ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন অ্যাড্রেস ব্যবহার করা সম্ভব।
Source থেকে Destination এ Data যেন ত্রুটি মুক্ত ভাবে পৌছাতে পারে সে জন্য কিছু নিয়মকানুন নির্ধারন করা আছে। এই রুল বা নিয়মকানুনগুলোকে বলা হয় প্রটোকল। এই প্রটোকলগুলোর সমন্বয়ে যে মডেলটি তৈরি করা হয়েছে তাকে OSI model বলা হয়.
ওএসআই মডেলকে সাতটি লেয়ার বা স্তরে ভাগ ভাগ করা হয়। এর স্তরসমূহ হলো :
- এপ্লিকেশন(Application layer)
- প্রেজেন্টেশন(Presentation layer)
- সেশন(Session layer)
- ট্রান্সপোর্ট(Transport layer)
- নেটওয়ার্ক(Network layer
- ডাটালিংক(Datalink Layer)
- ফিজিক্যাল(Physical layer)
Half Adder এর সাহায্যে Full Adder বাস্তবায়ন
ফুল অ্যাডারের ইনপুট A, B ও Ci এবং আউটপুট SUM(S) ও Carry(Co) হলে ,
(S) = AꚚBꚚCi
(Co)=(AꚚB).Ci + A.B

প্রথম Half Adder এর ক্ষেত্রে-
S1=AꚚB এবং
C1=A.B
২য় টির ক্ষেত্রে-
S2=S1ꚚCi এবং
C2=S1.Ci
S2= AꚚBꚚCi [S1 এর মান বসিয়ে] যা Full adder এর যোগফল S ।
Co = C1+ C2
Co=(AꚚB).Ci + A.B [C1,C2 মান বসিয়ে]
যা Full Adder এর আউটপুট ক্যারি Co ।
প্রাইম সংখ্যা বের করার ফ্লোচার্টঃ-

ADSL, DML, CASE, RAID, SCSI, DNS, GIGO, DHCP, MICR, ODMS, SMTP, CISC.
উত্তর:
ADSL-Asynchronous digital subscriber line.
DML-Data manipulation language
CASE-Computer aided system design.
RAID– Redundant Arrays of Independent Disks.
SCSI-Small Computer System Interface.
DNS-Domain Name system.
GIGO-Garbage in, garbage out
DHCP-Dynamic Host Configuration Protocol.
MICR-Magnetic ink character recognition.
ODMS-Operational Data Management System
SMTP-Simple mail transfer protocol.
CISC-Complex Instruction set computers.
